বার কাউন্সিল পরিক্ষার প্রস্তুতি


কিছু কথা 

 পরীক্ষা মানেই প্রস্তুতি আর অনেক অনেক পড়াশোনা। কাজেই বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা বা সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ও চাই ব্যাপক প্রস্তুতি আর অনেক অনেক বেশী পড়াশোনা। তবে অন্যান্য পরীক্ষার সাথে বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষা বা সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষার পার্থক্য অনেক। তাই মুখস্থ পড়া না পড়ে আইন বুঝে পড়তে পাড়লে তা অনেক সহজ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমার অনুরোধ হলো কোন গাইড বই না পড়ে মুল বইগুলো মনযোগ দিয়ে পড়েন। মুখস্থ করার কোন প্রয়োজন নেই শুধুমাত্র গল্পের বই পড়ার মত পড়েন। মূল বইয়ের ব্যাখ্যাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়েন। প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো হাইলাইট করে রাখুন। প্রতিদিন কমপক্ষে ২ থেকে ৩ ঘন্টা পড়ার অভ্যাস করুন। আপনার সফলতা নিশ্চিত। আমার এ কথাগুলোকে কেউ উপদেশ হিসেবে নিবেন না। আমি আগেই বলেছি যে, আমি নিজেই একজন আইনের ছাত্র। আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতাটুকু আপনাদের সাথে শেয়ার করছি মাত্র। সবার সফলতার প্রার্থনা করছি। ধন্যবাদ।




*** শুরুতেই আমি নম্বর বন্টন নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই। আমার মনে হয় এ বিষয়টাতে আমাদের শুরু থেকেই যত্নবান হওয়াটা জরুরী। আমাদের অনেকের মধ্যে একটি বদ্ধমূল ধারণা রয়ে গেছে আর তা হল এম সি কিউ পরীক্ষায় ৫০ পেলেই পাশ। অনেকে আবার ৫০ টা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে অনিশ্চিত হওয়া সত্ত্বে ও অধিক নম্বর পাবার আশায় ভুল উত্তর দিয়ে নেগেটিভ মার্কিং এর শিকার হন। আমি যা বলতে চাইছি তা হল ৫০ পেলেই পাশ এ ধারণাটা যেমন সঠিক নয় তেমনি না জেনে কোন প্রশ্নের উত্তর দেয়াটাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সম্প্রতি বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ভাইবা ২০১৮ পরীক্ষায় দেখলাম অনেক বোর্ডেই এম সি কিউ এবং লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে বিজ্ঞ বিচারকগণ কথা বলেছেন। কাজেই আমরা যে পরীক্ষায়ই অংশগ্রহন করি না কেন আমাদের লক্ষ্য থাকবে ভাল পরীক্ষা দেয়া এবং ভাল নম্বর পাওয়ার চেষ্টা করা এবং অবশ্যই না জেনে অনুমানবশতঃ কোন প্রশ্নের উত্তর না দেয়া।

 *** নম্বর বন্টন সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন